ভেড়ামারায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি: ভোগান্তি ও কঠোর ব্যবস্থা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিপণন করায় সবচেয়ে বেশি ভুগছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা। দেশের বাজারে বর্তমানে মোট ২৮টি প্রতিষ্ঠান এলপিজি বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকলেও, চলমান সংকটের কারণে মাত্র ৪ থেকে ৫টি কোম্পানি কার্যকরভাবে গ্যাস সরবরাহ করছে। এর মধ্যে ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, ইউনিগ্যাস ও ফ্রেশ এলপিজি অন্যতম। বাজারে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, এখন গ্যাসের খরা প্রকৃতপক্ষে লেগেই আছে। কয়েকটি কোম্পানি ব্যতীত অন্যসব সূত্রে গ্যাস পাওয়া সম্ভব নয়। যেখানে যা পাওয়া যাচ্ছে, বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকায়, আর বিক্রেতারা ক্রেতাদের কাছ থেকে নিচ্ছেন ১৬০০ টাকায়। তবে এই অপব্যবহার বাড়ছে, কারণ অনেক ক্রেতাই অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে ভোক্তা অধিকার দপ্তরে অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেটরা এসে জরিমানা করছেন, কিন্তু এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য দরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা। একদিকে গ্যাসের এই সংকটের মাঝে, বাজারে ইলেকট্রিক বা বৈদ্যুতিক চুলার জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। কম খরচে দ্রুত রান্না সম্ভব হওয়ায় এর চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে। বিক্রেতারা নিশ্চিত করেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বৈদ্যুতিক চুলার বিক্রি অনেক বেশি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে, যা খুচরা বিক্রেতাদের একচেটিয়া স্বার্থের প্রমান। রসিদ (মেমো) চাইলে তাঁরা বলছেন স্টক নেই বা সরবরাহ সম্ভব নয়— যা স্পষ্ট করে দেয় সিন্ডিকেটের কারসাজির ছত্রছায়ায় তারা কাজ করছে। ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ১৩৫৬ টাকা নির্ধারিত থাকলেও, অনেক ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা তা মান্য না করে বেশি দামে বিক্রি করছে, যা প্রতিহত করতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাসের সিরিন্ডার বিক্রি রোধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত তদারকিই হচ্ছে সরকারের গ্যাস নিয়মিত ও সস্তায় সরবরাহের মূল চাবিকাঠি। SHARES সারাদেশ বিষয়: