শ্রীমঙ্গলে মৌসুমের শেষভাগে তীব্র শীত, তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

শীতের বিদায়ী সময়েও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তীব্র শৈত্য প্রবাহের কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এক অঙ্কের নিম্ন তাপমাত্রা ও ঘন কুয়াশার ভর করে শহর ও গ্রামাঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনচিত্র অসংলগ্ন হয়ে উঠেছে। সকাল থেকে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি কম হয়ে গেছে, এবং কর্মজীবীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সর্বনিম্ন ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এর আগে গত শুক্রবার এই অঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হঠাৎ করে তাপমাত্রার এ অপ্রত্যাশিত পতনের কারণে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষকরা।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, শনিবার ভোর ৬টায় ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে সকাল থেকেই রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে গেছে। তিনি আরও বলেছেন, আরও কিছুদিন এ তীব্র শীত বজায় থাকতে পারে।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন চা-শ্রমিকরা। বিদ্যাবিল চা-বাগানের নারী শ্রমিক কল্পনা নায়েক বলেন, “এই শীতের মধ্যে চা-বাগানে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়। তবুও জীবনযাত্রার জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হয়। আমাদের জন্য শীতবস্ত্র ও সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।”

অন্যদিকে, শীতজনিত রোগের কারণে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিদিন সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও ডায়রিয়া রোগে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা এই কড়া শীতের প্রভাবের বেশি শিকার হচ্ছেন। পর্যাপ্ত গরম কাপড় ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি আরও বেশি যত্ন নিতে হবে।