টেক্সওয়ার্ল্ড প্যারিসে বাংলাদেশ লাভ করেছে ৮ মিলিয়নের অর্ডার

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিখ্যাত টেক্সটাইল ও ফ্যাশন প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬’ এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রপণ্য নিয়ে প্রায় ৮.০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের রপ্তানি অর্ডার পাওয়া গেছে, যা দেশের পোশাক খাতে একটি শক্তিশালী আস্থার প্রতিফলন। গত ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি এই আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে, যেখানে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এতে সফল ব্যবসায়িক আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে ইউরোপের পোশাক মার্কেটের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পৃষ্ঠপোষকতায় ১৮টি প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করে, এছাড়াও আরও ১১টি বাংলাদেশি কোম্পানি সরাসরি উপস্থিত ছিল। বাংলাদেশের স্টলগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সাথে ফলপ্রসূ বাণিজ্যিক আলোচনা হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশি স্টলগুলো পরিদর্শন করেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কোতে স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা, যিনি বাংলাদেশের পক্ষে এই অর্জনকে খুবই প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পুরোভাগে থাকা এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ পূর্বের তুলনীতেও আরও বড় এবং প্রতিযোগিতা আরও দৃঢ় হতে পারে। তিনি আরও জোর দিয়েছেন, দেশের প্যাভিলিয়ন ও স্টল সাজানো পেশাদারভাবে করা হলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।রাষ্ট্রদূত emphasizes the importance of কার্যকর ব্র্যান্ডিং ও স্থানীয় সংগঠনগুলোর আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই খাতের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে। দূতাবাসের আওতায় বাংলাদেশি পোশাক খাতের এই সফলতা দেশের গুণগত মান, টেকসই উৎপাদন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ভবিষ্যতে ফ্রান্সে আরও সোর্সিং ইভেন্টে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পোশাক শিল্পের বৈশ্বিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে। এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রদর্শনী বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পোশাক সরবরাহকারী হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।