১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন কাজ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র

উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশের ১৮

কোটি মানুষের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক কঠিন কাজ। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি বেশ ভালো।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও

গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে

সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার বিষয়ে তিনি বলেন, যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর

বেশিরভাগই নিজেদের দলের ভেতরে। কোনো অনুষ্ঠানে একজনকে দাওয়াত দিলে দুজন চলে আসে।

তখন সিদ্ধান্তের অমিল হলে নিজেরাই লেগে যাচ্ছে। এজন্য জনসচেতনতা জরুরি।

প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিদিনই

প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুয়েকটি আসনে ছোটখাটো লঙ্ঘন হচ্ছে

না—তা নয়।

ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের

সময় ইন্টারনেট খোলা থাকবে। কেউ বন্ধ করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। গুজব বা মিথ্যা

সংবাদ ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে লিখতে বা প্রশ্ন করতে

পারতেন না। এখন যেভাবে প্রশ্ন করতে পারছেন, তখন তা সম্ভব ছিল না। বর্তমান সরকার মত

প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। তবে মিথ্যা নয়, সত্য সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।

নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনারা এখানে যেভাবে নিরাপদ, নারীরাও

ভোটকেন্দ্রে ঠিক সেভাবেই নিরাপদ থাকবেন।

এ সময় জঙ্গল সলিমপুরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অনেককে আইনের আওতায় আনার কথাও

জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো

রয়েছে। যেখানে যেরকম ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেখানে সেরকম নেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ

করছে বলেও জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা প্রশাসক

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।