আন্তর্জাতিক মেলায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষামূলক স্টলে ভিড় Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা যৌথভাবে চলমান থাকাকালে সেখানে শিক্ষামূলক উপকরণের স্টলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মেলার সময় যত এগোচ্ছে, তত বেশি করে শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীরা এই স্টলে ভিড় করছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সহায়তা ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে পাঠ্যবইয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের এক্সপেরিমেন্টগুলো অনুসন্ধান, গবেষণা ও তথ্য পরীক্ষা করছে। সেই জন্য আগ্রহের হার ব্যাপক এবং বিজ্ঞানবাক্সের চাহিদাও বেড়েছে। বর্তমানে অনেক শিশুর মোবাইল ও কম্পিউটারে গেমের প্রতি আসক্তি দেখা দিলেও, এর ফলে তাদের চিন্তাশক্তি বিকাশে ব্যাঘাত ঘটছে। এমতাবস্থায়, যদি শিশুরা খেলাধুলা ও সৌন্দর্য্যপ্রদ উপকরণ ব্যবহার করে বিজ্ঞানের বিষয়গুলো জানে, তাহলে তাদের চিন্তার শক্তি আরও উন্নত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রূপগঞ্জের আব্দুল হক ভুঁইয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক দিপু রহমান বিজয় ও আমির হোসেন তাদের মতামত তুলে ধরেন, যেখানে তারা বলেছিলেন, শিক্ষার যে বিষয়গুলো শিশুরা খেলাধুলার মাধ্যমে গ্রহণ করে, তা তাদের জন্য আরও সহজ ও স্বাভাবিক। তারা মূলত মেলায় এসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞানবাক্সের স্টলে আসেন, যেখানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুরাও ভিড় করছে। মেলায় চমক দেওয়ার জন্য বেশ কিছু আকর্ষণীয় খেলনা ও গেমস দেখানো হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, চুম্বকের ২৬টি মজার খেলা, ক্যাপ্টেন কিউরিয়াসের দুটি মজার সায়েন্স গেম, তড়িৎ, তাপ ও আলো বিষয়ক ২০টি রঙিন খেলা, চাইনিজ পাজল গেম ট্যানগ্রাম, ২০টি ফোকাস চ্যালেঞ্জ, রসায়নের রহস্যে ভরপুর বিভিন্ন খেলা, অদ্ভুত মাপজোখ, স্মার্টকিট, শব্দকল্প এবং মহাকাশ ও সৌরজগতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নতুন বিজ্ঞানবাক্স। এসব খেলা ও মডেল শিশুদের হাতে-কলমে বিজ্ঞান সম্পর্কে জানা ও বোঝার সুযোগ দিচ্ছে। বিজ্ঞানে গভীর আগ্রহ বাড়াতে এসব বিকল্প ও শিক্ষামূলক উপকরণ প্রচুর সংখ্যক ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বিশেষ করে শিশু ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই উপকরণগুলো খুবই জনপ্রিয় ও উপকারী। শিক্ষা উপকরণের বিক্রয় প্রতিনিধি নাসিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘সাত বছর বয়স থেকে পনেরো-ষোলো বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা এই বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার করতে পারে। তবে চার থেকে ছয় বছরের কৌতূহলী শিশুরাও এই বাক্সে আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী নিশ্চিতভাবে নানা ধরণের বাক্স প্রস্তুত করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এখন থেকেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই প্যাভিলিয়নে বেচাকেনা অব্যাহত রয়েছে এবং ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। এছাড়া মেলার ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ডিজি ইনফোটেক লিমিটেডের অপারেশন ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম হৃদয় বলেন, ‘শিক্ষার্থী, শিশু ও মাদ্রাসার জন্য টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা। তবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও আহত ব্যক্তিরা কার্ড দেখিয়ে বিনা মূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারছেন।’ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা অবধি মেলা চললেও, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু থাকবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্থাগুলি—ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া—এবারের মেলায় অংশগ্রহণ করছে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: