অন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেই কোহলি ও রোহিতকে ইউরোপিয়ান লিগে চান অভিষেক বচ্চন

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ২:২০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২৬

ভারতের দুটি ক্রিকেট মহাতারকা বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা বর্তমানে ২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। এই বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে তারা মনোযোগী হলেও, এখানে বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অবসান আসন্ন। অনেকের ধারণা, এই বিশ্বকাপের পর তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে পারেন, যা ক্রিকেটবিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগ বা ইটিপিএল তাদের জন্য একটি ভিন্ন সুযোগ উন্মোচন করেছে। লিগটির অন্যতম মালিক ও বলিউডের সুপারস্টার অভিষেক বচ্চন ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, বিশ্বকাপের পরে কোহলি ও রোহিতকে ইউরোপে দেখতে চান।

একটি ক্রীড়া সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে অভিষেক সরাসরি এই প্রস্তাবটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিরাট আর রোহিত যেন তাদের অবসর নেওয়ার পর প্রথমে এই লিগে আসতে রাজি হন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অন্তত একজন তারকা এই টুর্নামেন্টের মুখ হয়ে উঠবেন। আগামী আগস্ট মাসে এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম, স্কটল্যান্ডের এডিনবরা এবং আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টের দলগুলো অংশগ্রহণ করছে। যদিও এখনও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম চূড়ান্ত হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির বাজারে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে লিগ কর্তৃপক্ষ বড় বড় তারকাদের আকর্ষণে ব্যাপক উৎসাহিত।

বিদেশের টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে কোহলি ও রোহিতের আগ্রহ নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ও অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহ প্রকাশ হয়েছে। তবে, ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কিংবা আইপিএল থেকে অবসর না নেওয়া পর্যন্ত কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি পান না। তাই কোহলি ও রোহিতের ইউরোপে খেলার ব্যাপারটি তাদের অবসর সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

সবমিলিয়ে, ভবিষ্যতে যদি এই দুই মহাতারকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিদায় নেন, তবে ইউরোপীয় ক্রিকেট মঞ্চে তাদের উপস্থিতির সম্ভাবনাও বাড়বে। এর ফলে ইটিপিএলের জন্য এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দাঁড়াতে পারে, পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা ও বিস্তারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।