তারেক রহমানের সঙ্গে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এঁরা হচ্ছেন বাংলাদেশের নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি, এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। এই বৈঠকগুলোতে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। ব্রিফিংএ বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ও দলের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির জানান, সন্ধ্যায় সাড়ে ছয়টায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে বৈঠক হয়। এই সময় তিনি বলেন, তারেক রহমান যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে তিনি জনবান্ধব ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কাজ করতে চান যুক্তরাজ্যের সঙ্গে। তিনি আরও জানান, ওই বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার ইতিবাচক মন্তব্য করেন এবং নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এর আগে, ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতরা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বিকেল ৪টায় নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে আসেন এবং সেখানে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এসব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির। বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, এই সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা, এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং কিভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত ও সম্প্রসারণ করা যায়, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়। SHARES রাজনীতি বিষয়: