এনার্জি ও পাওয়ার খাতে মাস্টার প্ল্যান ২০২৬-২০৫০ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভা Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৭ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা। এই সভায় মূল আলোচ্য বিষয় ছিল “Energy and Power Sector Master Plan 2026-2050”। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টা ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও তাদের অধীন বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ এজেন্ডা ও কর্মকর্তাবৃন্দ। এর পাশাপাশি আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এসএম জিয়া-উল-আজিম এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ দক্ষতার সাথে ব্যবহার করে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দক্ষতা বৃদ্ধি, এবং পরিবেশবান্ধব দায়বদ্ধতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং টেকসই প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। সভায় প্রধান পুরানো তিনটি মহাপরিকল্পনার পলিসি গ্যাপ চিহ্নিত করে এগুলো সংক্ষিপ্তভাবে পর্যালোচনা হয়। পর্যায়ক্রমে এই মহাপরিকল্পনা তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়: প্রথম ধাপ ২০২৬-২০৩০, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-২০৪০, এবং তৃতীয় ধাপ ২০৪০-৫০। সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিস্তারিত গবেষণা এবং পরিধিগত উন্নয়ন প্রয়োজন। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ হলো এই খাত। যদি এটি শক্তিশালী হয়, তবে দেশের সার্বিক অর্থনীতি দৃঢ় হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জীবন মান উন্নয়নে এই খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।’ তিনি আরও নির্দেশ দেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির। সভায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন, সরবরাহ, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, এর পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপস্থাপন হয়। ভবিষ্যতের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রাথমিক এনার্জি сек্টরকে আরো নিরাপদ, দক্ষ, কম আমদানিনির্ভর এবং আর্থিকভাবে টেকসই করা। SHARES জাতীয় বিষয়: