তারেক রহমান উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন মওলানা ভাসানী ও জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারতকল্পে

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে দেশের উত্তরের নয়টি জেলা সফর করবেন, যেখানে তিনি শহীদ ও মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করবেন। এই সফরটির মাধ্যমে তিনি দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও গণআন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি তার জন্য গৌরবময় করে তুলবেন। গতকাল বুধবার বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ ছাড়াও, সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে।

প্রথম দিন, অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি, ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করে তিনি বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত যাপন করবেন। পরের দিন, ১২ জানুয়ারি, তিনি বগুড়ার বিভিন্ন জেলা ও শহরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সেই দিন রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচি রয়েছে।

সপ্তম দিনে, ১৩ জানুয়ারি, তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা সফর করবেন, যেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশা শুনবেন। সফরশেষে, ১৪ জানুয়ারি, তিনি রংপুর ও বগুড়ায় কিছু দাপ্তরিক ও জনহিতকর কাজ শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরবেন।

বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে, তারেক রহমান এই সফরে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিদের মাজারে যান এবং শহীদ Julho যোদ্ধাদের পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করবেন। বিএনপি এই সফর চলাকালে কোন অবস্থাতেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণে আচরণবিধি লঙ্ঘন করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। নিজে সব নিয়ম মানতে এবং নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উত্তরাঞ্চলীয় সফর বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি জোরদার করবে পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দলের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করবে। বর্তমানে এই জেলাগুলোর পরিবেশ উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াভাবে মনিটরিং করছে প্রশাসন।