অবৈধ অবতরণের নির্দেশ অমান্য করে পাইলট, বিমানে মারা গেলেন যাত্রী Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ সিলেট থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মারাত্মক এক ঘটনা ঘটে খেপে উঠেছে দেশের প্রত্যেকের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, মাঝআকাশে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া এক যাত্রীর জীবনের জন্য আনা আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে, বিমানটির পাইলট জরুরি অবতরণের নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন। ৩১ ডিসেম্বরের এই ঘটনার মাধ্যমে ফ্লাইট বিজি ২০১-এর পাইলটের গাফিলতি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সেই সময় পাকিস্তানের আকাশসীমার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময়, যাত্রীর জীবন রক্ষার জন্য দ্রুততম সময়ে নিকটস্থ বিমানবন্দরে অবতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে। কিন্তু পাইলট তা মানেননি। বরং তিনি দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ব্যয় করে সিদ্ধান্ত নেন, ঢাকায় ফিরে আসার। এই সিদ্ধান্তের কারণে বিমানের ভেতরে থাকা অসুস্থ যাত্রীর জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, এই সংকটকালটি ছিল খুবই সংবেদনশীল, কিন্তু যথাযথ চিকিৎসা ও সাহায্য না পেয়ে, মাঝআকাশে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার ফলে ওই যাত্রী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পাইলটের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে কেবল এক জীবনই আর রক্ষা পায়নি, বরং আবহাওয়া জটিলতার কারণে সেই দিন বিমানটি আর লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা করতে পারেনি। এতে সাধারণ যাত্রীদেরও ব্যাপক ভোগান্তি হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত হয়正在 চলেছেএবং একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি, যার নেতৃত্ব দেন ফ্লাইট সেফটি বিভাগের প্রধান, মূলত খতিয়ে দেখবে কেন পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে নেমে না গিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েও ঢাকায় ফিরতে বাধ্য হলো, এবং এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা কতটুকু ছিল। এছাড়াও, যাত্রীর মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার প্রক্রিয়া, জরুরি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সময়মতো ব্যবহৃত হয়েছে কি না, এসব বিষয় তদন্তের অংশ। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, পাইলট ও অন্যান্য দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে। SHARES জাতীয় বিষয়: