দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ৩:৩৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২৬

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর উদ্যোগে। দেশব্যাপী ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই ওয়েবিনারে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে স্বাস্থ্যখাতে কর্পোরেট যোগাযোগ, হিসাবরক্ষণ, ডিজিটাল যুগে উদ্ভাবন, সততা ও জবাবদিহির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘একাউন্টিং ফর হেলথ’ এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন বিএমইউর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম, যেখানে তিনি স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি হিসাবরক্ষণ ও অর্থব্যয় নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শুভ উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের জন্য অর্থায়ন ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়া আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করতে হেলথ অ্যাকাউন্টিং এর গুরুত্ব ব্যাখ্যায় উঠেছে। বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করে গ্লোবাল মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যব্যয় নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উপায়গুলো আলোচনা করেন।

ওয়েবিনারে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড ডিরেক্টরস ইমেরিটাস অধ্যাপক সুসুমু ইনো, বিএমইউর প্রো-ভাইস (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ফারহানা বেগম, এইচকিউএমএ-র সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শফিকুল হাসান রতন, এছাড়া মালয়েশিয়ার ইমেরেটাস অধ্যাপক ড. নরমাহ ওমর, জাপানের অধ্যাপক ড. মাসুমি নাকাশিমা, এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কেলে প্রফেসররা।

আন্তর্জাতিক এই কনফারেন্সে পোস্টার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উঠে আসে স্বাস্থ্যখাতে অর্থ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালনার নতুন দিক। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম, যেখানে তিনি দেশের স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের কোটি কোটি মানুষ অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় মেটাতে গিয়ে দারিদ্র্যর শেষ সীমানায় এসে দাঁড়িয়ে। আলোচনায় আরও বলা হয়, রোগের সঠিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে স্বাস্থ্যখাতে ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং এর যথাযথ ব্যবহার প্রয়োজন। এই ওয়েবিনার দেশের স্বাস্থ্য নীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন বক্তারা। এর মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের সঠিক প্রণয়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও দুর্নীতির অবসান ঘটানোর মহৎ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে, যা সর্বোপরি সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত ও স্বচ্ছ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।