শিপিং এজেন্টদের জন্য স্বতন্ত্র লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০২৫ জারি করল এনবিআর Staff Staff Reporter প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০২৬ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের সমুদ্র ও নৌবন্দরগুলোতে শিপিং এজেন্টদের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং গতিশীলতা আরও বৃদ্ধির জন্য নতুন ‘শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৫’ ক্যাবিনেট অনুমোদনসহ জারি করেছে। গত ৩০ ডিসেম্বর এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা সম্ভব হয়েছে। আগে শিপিং এজেন্টরা কোনও স্বতন্ত্র নীতিমালা অনুসরণ না করে কাস্টমস এজেন্টদের জন্য কার্যকর ছিল এমন বিধিমালা (২০২০) অনুযায়ী কাজ করত। তবে এখন থেকে এই নতুন স্বতন্ত্র বিধিমালা জারির মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম অনেক সহজ এবং যুগোপযোগী হবে বলে আশা করা যায়। বিশেষ করে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরি ও সংশ্লিষ্ট স্টেশনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এর প্রধান লক্ষ্য। নতুন এই বিধিমালায় লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হয়েছে, যা প্রশাসনিক জটিলতা অনেকখানি কমিয়ে আনবে। এখন থেকে কাস্টমস স্টেশনভিত্তিক লাইসেন্সের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না, ফলে লাইসেন্সপ্রাপ্তি প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হবে। ছাড়াও, আবেদনকারীদের জন্য একটি বড় সুবিধা হলো, এখন থেকে শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স পেতে কোনও লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই। স্থায়ী নথিপত্র সঠিক থাকলে, সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে, যা নতুন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীসমূহের জন্য খুবই সুবিধাজনক। এছাড়া, নতুন বিধিমালার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো লাইসেন্সের ভৌগোলিক পরিধি বৃদ্ধি। আগের নিয়মে, একটি নির্দিষ্ট কাস্টমস স্টেশন থেকে ইস্যুকৃত লাইসেন্স শুধু সেই স্থানেই কার্যকর থাকত। তবে ২০২৫ সালের নতুন নির্দেশনায়, একবার লাইসেন্স নিলে, একজন শিপিং এজেন্ট দেশের যেকোনো সমুদ্র বা নৌবন্দর দিয়ে তাঁর ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। এর ফলে ব্যবসার পরিচালনা খরচ কমবে, এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি অনেক বেড়াবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড উল্লেখ করেছে যে, দেশের বিনিয়োগের পরিবেশ আরও অনুকূল এবং বৈদেশিক বাণিজ্যকে সহজতর করতে এই ধরনের সংস্কারমূলক উদ্যোগ তারা অব্যাহত রাখবে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: