রাঙামাটিতে হাজারো মানুষের উল্লাসে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুস

Staff Staff

Reporter

প্রকাশিত: ২:৩৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২৫

পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে সর্ববৃহৎ এবং ঐতিহাসিক জশনে জুলুস পালিত হয়েছে। এ সময় শায়েররা গাড়ি বহর নিয়ে আনন্দ মিছিলের সঙ্গে গাইতে থাকলেন—“আজে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুস চলতেছে, আনন্দে উল্লাসে সারা জগৎ ভরে গেছে”—এই মধুর কণ্ঠে হামদ-নাত ও দরুদে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। রাঙামাটিতে পালিত হয়েছে এই পবিত্র অনুষ্ঠানটি, যা শহরের মানুষের মধ্যে এক Emperor of মনোযোগ সৃষ্টি করে।

শহরের রাস্তাগুলোর বিভিন্ন পদর্শনাত্মক সজ্জায় সজ্জিত হয়, যেখানে উজ্জ্বল পতাকা, ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনের পাশাপাশি তরুণদের সাজে সজ্জিত হয় রাঙামাটির সড়ক ও মোড়। হাজারো মুসল্লি হামদ-নাত ও দরুদে মুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—প্রতিটি বয়সের মানুষ উপস্থিত হয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। বাসাবাড়ির ছাদে শুধু মানুষের আনাগোনা। নারায়ণী টুপি পরিহিত মুসল্লিরা সিন্ধুপ্রবাহের মতো জড়ো হয়ে থাকেন।

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, জুমার নামাজের পরে রাঙামাটির গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে রিজার্ভবাজারের জামে মসজিদ থেকে এক বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়। এতে অংশ নেন হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। তারা নানা রঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও কালেমা খচিত পতাকা নিয়ে ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর’ ও ‘নারায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ)’ শ्लোগান দিয়ে শহরজুড়ে ধ্বনিবদ্ধ করেন। শোভাযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পেরিয়ে বনরূপা জামে মসজিদের সামনে শেষ হয়। এরপর মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় নবী করিম হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী নিয়ে আলোচনা সভা, যেখানে মিলাদ, ক্বিয়াম ও মুআযাতের মাধ্যমে এই মহত্ অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন চট্টগ্রামের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আব্দুল ওয়াজেদ, বনরূপা মসজিদে খতিব মাওলানা ইকবাল হোসাইন আল কাদেরী, কাঠালতলি জামে মসজিদের খতিব হাফেজ ক্বারী মাওলানা সেকন্দর হোসাইন আল ক্বাদেরী, বনরূপা জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা সুলতান মাহমুদ ও রিজার্ভবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ছৈয়দ আবু নওশদ নঙ্গমী। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাঙামাটিতে নবীর আগমন ও তার জীবনের মাহাত্ম্য একবার আবারো উৎসাহ ও ভাবের সঙ্গে উদযাপিত হয়।